মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd এপ্রিল ২০১৮

সরকারের/বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ কর্মসূচী

 

কর্মসূচীসমূহ

:

উদ্দেশ্য

(১) কৃষিভিত্তিক শিল্পের জন্য ঋণ সহায়তা কর্মসূচী

:

ক) কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশ ;

খ) গ্রামীণ পর্যায়ে শিল্প বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি ;

গ) জিডিপিতে কৃষিভিত্তিক শিল্পের অবদান বৃদ্ধি ;

ঘ) কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।

(২) শিল্প কারখানার স্বেচ্ছা-অবসরপ্রাপ্ত/কর্মচ্যুত শ্রমিক/

কর্মচারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী

:

শিল্প কারখানার স্বেচ্ছা-অবসরপ্রাপ্ত/কর্মচ্যুত শ্রমিক-কর্মচারীদের ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা।

(৩) ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের

আওতায় ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী

 

:

ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশু শ্রমিকের পিতা-মাতার ক্ষুদ্র ব্যবসার/ প্রকল্পের মূলধন যোগান।

(৪) বাংলাদেশ ব্যাংক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ঋণ সহায়তা কর্মসূচী

(১ম পর্যায়)

:

ক) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি ;

খ) প্রাণীজ আমিষ বৃদ্ধির মাধ্যমে দৈহিক ও মেধার বিকাশ সাধন;

গ) জিডিপিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের অবদান বৃদ্ধি ;

ঘ) কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ;

ঙ) দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়তা ;

চ) যোগ্য উদ্যোক্তা শ্রেণী গড়ে তোলা ;

ছ) ব্যাংকার- কাস্টমার রিলেসনসিপ তৈরী।

(৫) বাংলাদেশ ব্যাংক দুগ্ধ উৎপাদন ও কৃত্রিম প্রজনন খাতে

পুন:অর্থায়ন কর্মসূচী

:

ক) কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জাত উন্নয়নপূর্বক দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং

দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ; ;

খ) কৃত্রিম প্রজনন সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ;

গ) অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ;

ঘ) দুগ্ধ উৎপাদনের মাধ্যমে জিডিপিতে অবদান বৃদ্ধি ;

ঙ) দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্য আমদানী হ্রাসকরণ ;

চ) দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়তা ;

ছ) যোগ্য উদ্যোক্তা শ্রেণী গড়ে তোলা ;

জ) ব্যাংকার- কাস্টমার রিলেসনসিপ তৈরী।

(৬) বাংলাদেশ ব্যাংক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ঋণ সহায়তা কর্মসূচী

(২য় পর্যায়)

:

ক) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি;

খ) জিডিপিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের অবদান বৃদ্ধি ;

গ) কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ;

ঘ) দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচী বাস্তবায়নে সহায়তা ;

ঙ) যোগ্য উদ্যোক্তা শ্রেণী গড়ে তোলা ;

চ) ব্যাংকার- কাস্টমার রিলেসনসিপ তৈরী।


 

সরকারের/বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ কর্মসূচী এর ঋণ সীমা

(১) কৃষিভিত্তিক শিল্পের জন্য ঋণ সহায়তা কর্মসূচী

:

i) একক ব্যক্তির ক্ষেত্রে - সর্বোচ্চ ২৫.০০ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা;

ii) ০৫ (পাঁচ) জনের গ্রুপের ক্ষেত্রে - সর্বোচ্চ ৫০.০০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা;

(২) শিল্প কারখানার স্বেচ্ছা-অবসরপ্রাপ্ত/কর্মচ্যুত শ্রমিক/

কর্মচারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী

:

সর্বোচ্চ ৭৫.০০ (পঁচাত্তর) হাজার টাকা;

(৩) ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের

আওতায় ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী

 

:

সর্বোচ্চ ১০.০০ (দশ) হাজার টাকা;

(৪) বাংলাদেশ ব্যাংক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ঋণ সহায়তা কর্মসূচী

(১ম পর্যায়)

:

i) গ্রাহক পর্যায়ে - সর্বোচ্চ ৫.০০ (পাঁচ) লক্ষ টাকা;

ii) গ্রুপের ক্ষেত্রে - সর্বোচ্চ ৪০.০০ (চল্লিশ) লক্ষ টাকা।

(৫) বাংলাদেশ ব্যাংক দুগ্ধ উৎপাদন ও কৃত্রিম প্রজনন খাতে

পুন:অর্থায়ন কর্মসূচী

:

সর্বোচ্চ ২.০০ (দুই) লক্ষ টাকা;

(৬) বাংলাদেশ ব্যাংক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ঋণ সহায়তা কর্মসূচী

(২য় পর্যায়)

:

i) একক ব্যক্তির ক্ষেত্রে - সর্বোচ্চ ২৫.০০ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা;

ii) গ্রুপের ক্ষেত্রে - সর্বোচ্চ ৫০.০০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা।

 

সরকারের/বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ কর্মসূচী এর সুদের হার

 

:

 

(১) কৃষিভিত্তিক শিল্পের জন্য ঋণ সহায়তা কর্মসূচী

:

i) প্রকল্প ঋণ - ৮% ;

ii) চলতি মূলধন ঋণ - ৯%।

(২) শিল্প কারখানার স্বেচ্ছা-অবসরপ্রাপ্ত/কর্মচ্যুত শ্রমিক/

কর্মচারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী

:

বিতরণকৃত ঋণের উপর সার্ভিস চার্জ - ৮%।

(৩) ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের

আওতায় ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী

 

:

মঞ্জুরিকৃত ঋণের উপর বিতরণকালে সার্ভিস চার্জ - ৬%।

(৪) বাংলাদেশ ব্যাংক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ঋণ সহায়তা কর্মসূচী

(১ম পর্যায়)

:

১০% (সরল)।

(৫) বাংলাদেশ ব্যাংক দুগ্ধ উৎপাদন ও কৃত্রিম প্রজনন খাতে

পুন:অর্থায়ন কর্মসূচী

:

৫% (সরল)।

(৬) বাংলাদেশ ব্যাংক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ঋণ সহায়তা কর্মসূচী

(২য় পর্যায়)

:

৯% (সরল)।

কর্মসংস্থান ব্যাংক স্পেশাল ডিপোজিট স্কীম-এর বিপরীতে ঋণ কর্মসূচী

 

প্রাপ্য সুদের অতিরিক্ত ৩% চক্রবৃদ্ধি

ঋণের মেয়াদ ও পরিশোধসূচী :

ক) সাধারণত: ২ বছর। তবে প্রকল্পের প্রকৃতি, আকার, ঋণের পরিমাণ, সম্ভাব্য মুনাফা ইত্যাদি বিবেচনা করে ঋণের মেয়াদ ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছর হতে পারে। কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনে ঋণ সহায়তা কর্মসূচীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ০৮ বছর ;

খ) উৎপাদিত পণ্য/সেবার বিপণন/বাজারজাতকরণের উপর ভিত্তি করে মাসিক/ ত্রৈমাসিক/ষান্মাসিক/এককালীন কিস্তিতে ঋণের পরিশোধসূচী নির্ধারণ করা হয় ;

গ) মেয়াদপূর্তির আগে ঋণ পরিশোধ করে ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী Early Settlement Fee (ESF) প্রদান করতে হবে।

ঋণ প্রস্তাবের সাথে প্রদেয় কাগজপত্র (সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) :

(০১) প্রকল্প এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের ঋণ প্রদানকারী শাখায় নির্ধারিত ফরমে ঋণের আবেদন;

(০২) আবেদনকারীর সদ্য তোলা ০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি;

(০৩) গ্যারান্টারের সদ্য তোলা ০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি;

(০৪) আবেদনকারী ও গ্যারান্টারের জাতীয় পরিচয়পত্রের উভয় পিঠের সত্যায়িত ফটোকপি (বাধ্যতামূলক নয়);

(০৫) উদ্যোক্তা/গ্যারান্টারের স্থায়ী বাসিন্দার প্রমাণপত্র হিসেবে উদ্যোক্তা/গ্যারান্টারের দলিল/পর্চার ফটোকপিসহ স্থানীয় ইউ.পি চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র/ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলার কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্র;

(০৬) শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);

(০৭) প্রশিক্ষণ/অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);

(০৮) ভাড়া/লীজ-এর ক্ষেত্রে প্রমাণপত্র/ব্যবস্থাপকের প্রত্যয়নপত্র;

(০৯) (ক) প্রকল্পস্থানের মালিক গ্যারান্টার হলে গ্যারান্টারের সম্মতিপত্র;(খ) ভাড়া/লীজকৃত হলে ভাড়া চুক্তিপত্র/লীজপত্রের কপি;

(১০) যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ঋণের ক্ষেত্রে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ০৩টি দরপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ;

(১১) ১,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে ঋণের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ;

(১২) ড্রাগ লাইসেন্সের কপি (ঔষধের দোকানের ক্ষেত্রে) ;

(১৩) প্রকল্প/প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় বিবরণী।

১২. ঋণ প্রস্তাবের সাথে প্রদেয় দলিলপত্র/কাগজপত্র :

(i) ,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত :

,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত ঋণ জামানতবিহীন। ক্ষেত্রবিশেষে ৩,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন।

() ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে :

এস.এ/আর.এস খতিয়ান, সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান এবং ঐ খতিয়ান নিজের নামে না থাকলে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট।

() কবলা/দানপত্র/লীজ/দেওয়ানী আদালতের ডিক্রিসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে :

০১) কবলা/দানপত্র/লীজপত্র/দলিলের আসল কপি, দেওয়ানী আদালতের রায়/ডিক্রির সহিমোহর নকল ;

০২) কবলা/দানপত্রসূত্রে মালিকানাপ্রাপ্ত হলে দলিলগ্রহীতার নামের খতিয়ান। দলিলগ্রহীতার নামের খতিয়ান না থাকলে বিক্রেতা/দানপত্র

দাতার নামের খতিয়ান ;

০৩) আদালতের ডিক্রিসূত্রে মালিকানাপ্রাপ্ত হলে সেক্ষেত্রে ডিক্রিসূত্রে খতিয়ানের আসল অথবা সহিমোহর নকল।

(ii) ,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে সকল ক্ষেত্রে :

() ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে :

০১) এস.এ/আর.এস খতিয়ান, সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান এবং ঐ খতিয়ান নিজের নামে না থাকলে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট ও মিউটেটেড

খতিয়ান (ডি.সি.আর কপিসহ) এবং হাল নাগাদ খাজনার রশিদ। ওয়ারিশ সার্টিফিকেট আদালত ব্যতীত ইউনিয়ন/পৌরসভা/সিটি

কর্পোরেশন কর্তৃক প্রদত্ত হলে তাও এ ক্ষেত্রে গ্রহণ যোগ্য হবে ;

০২) ঋণগ্রহীতা এবং গ্যারান্টার উভয়েরই জাতীয় পরিচয়পত্র।

() কবলা/দানপত্র/লীজ/দেওয়ানী আদালতের ডিক্রিসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে :

০১) কবলা/দানপত্র/লীজপত্র/দলিলের মূল দলিলপত্র, দেওয়ানী আদালতের রায়/ডিক্রির সহিমোহর নকল ;

০২) কবলা/দানপত্রসূত্রে মালিকানাপ্রাপ্ত হলে অন্যান্য খতিয়ানের সাথে দলিলগ্রহীতার নামে মিউটেটেড খতিয়ান (ডি.সি.আর কপিসহ) ;

০৩) আদালতের ডিক্রিসূত্রে মালিকানাপ্রাপ্ত হলে সেক্ষেত্রে মিউটেটেড খতিয়ানের (ডি.সি.আর কপিসহ) মূল দলিলপত্র অথবা সহিমোহর নকল।

(iii) ,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে প্রকল্প ও চলতি মূলধন ঋণের ক্ষেত্রে :

০১) সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে প্রকল্প স্থাপনের অনুমতিপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);

০২) বিসিক কর্তৃক বরাদ্দকৃত জমির ক্ষেত্রে মূল বরাদ্দপত্র, দখলী সত্ত্ব বুঝিয়ে দেয়ার পত্র, হালনাগাদ কিস্তি পরিশোধের প্রত্যয়ন এবং ঋণ

বিতরণের পূর্বে সমূদয় কিস্তি পরিশোধপূর্বক প্রয়োজনীয় সম্পাদিত মালিকানা দলিল ;

০৩) আয়কর পরিশোধের দালিলিক প্রমাণ (যদি আয়কর দাতা হন);

০৪) সরকার বা অন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বরাদ্দকৃত জমির ক্ষেত্রে ভূমি মন্ত্রণালয়/সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হতে ব্যাংকের নিকট জমি বন্ধক রেখে ঋণ

গ্রহণে অনাপত্তিপত্র;

০৫) নিজস্ব বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের উৎস সম্পর্কে ঘোষণা;

০৬) প্রকল্প জমির হাতে আঁকা রুট-ম্যাপ;

০৭) হাতে আঁকা প্রকল্পের সাইট প্ল্যান/লে-আউট প্ল্যান ;

০৮) প্রজেক্ট প্রোফাইল, যার মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্য ডিজাইন/ড্রইং, কারিগরি ব্যবস্থাপনা, মোট প্রকল্প ব্যয়, নির্মাণ খরচের বিস্তারিত হিসাব,

আর্থিক বিশ্লেষণ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এক্ষেত্রে ১০.০০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রকল্প ব্যয়ের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা নিজে এবং

১০.০০ (দশ) লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে প্রকল্পের ক্ষেত্রে পুরকৌশলীর সহায়তা নেয়া যেতে পারে ;

০৯) প্রকল্পের প্রয়োজনীয় আমদানীযোগ্য বৈদেশিক যন্ত্রপাতির জন্য স্থানীয় ইন্ডেন্টার কর্তৃক দাখিলকৃত ০৩টি প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র

(ক্যাটালগ, বিস্তারিত স্পেসিফিকেশনসহ) ;

১০) স্থানীয় যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ০৩টি প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র (প্রয়োজনবোধে ক্যাটালগসহ);

১১) পিডিবি/ডেসা/ডেসকো/আরইবি/গ্যাস ট্রান্সঃ এন্ড ডিষ্ট্রিঃ কোঃ হতে বিদ্যুৎ/গ্যাস সরবরাহের সম্মতিপত্র (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে);

১২) পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে ছাড়পত্র (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)।

(iv) ঋণ মঞ্জুরীর পর কিন্তু বিতরণের পূর্বে গৃহীতব্য দলিলপত্র :

হাল নাগাদ খাজনা পরিশোধের রশিদ ;

ঋণের আবেদন ফরমের মূল্য ও আবেদন নিষ্পত্তিকরণ :

()

আবেদনকৃত ঋণের পরিমাণ

আবেদন ফরমের মূল্য (টাকা)

২,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত

৩০০/-

২,০০,০০১/- হতে ৪,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত

৪০০/-

৪,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে

৫০০/-

(খ) বিবেচ্য ঋণের পরিমাণ শাখার ঋণ মঞ্জুরি ক্ষমতার মধ্যে হলে আবেদনপত্র গ্রহণের সর্বোচ্চ ১০(দশ) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে;

(গ) বিবেচ্য ঋণের পরিমাণ শাখা ব্যবস্থাপকের ঋণ মঞ্জুরী ক্ষমতার অধিক হলে আবেদনপত্র গ্রহণের সর্বোচ্চ ১০(দশ) দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয়

কাগজপত্র এবং সুপারিশসহ প্রস্তাব আঞ্চলিক কার্যালয়ে/ প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হবে;

(ঘ) আঞ্চলিক কার্যালয়ে/প্রধান কার্যালয়ে প্রাপ্ত ঋণ প্রস্তাব ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মঞ্জুরী ক্ষমতা পর্যন্ত নিষ্পত্তিযোগ্য হলে প্রস্তাব প্রাপ্তির সর্বোচ্চ

০৫ (পাঁচ) দিন এবং পরিচালনা বোর্ডের মঞ্জুরী ক্ষমতার মধ্যে নিষ্পত্তিযোগ্য হলে প্রস্তাব প্রাপ্তির সর্বোচ্চ ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে

নিষ্পত্তি করা হবে।

ঋণের চার্জ ডকুমেন্টস্

সকল ঋণের ক্ষেত্রে :

(ক) ঋণগ্রহীতা ও গ্যারান্টার কর্তৃক স্বাক্ষরিত ডবল পার্টি ডিপি নোট ;

(খ) ডিপি নোট ডেলিভারী লেটার ;

(গ) প্রকল্প/ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সকল অস্থাবর সম্পত্তি/মালামাল ব্যাংকের নিকট হাইপোথিকেশনে রাখার জন্য ঋণগ্রহীতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত

হাইপোথিকেশন ডিড ;

(ঘ) ঋণগ্রহীতার সম্পত্তির মূল দলিল/দলিলপত্র জমা রাখার জন্য ঋণগ্রহীতার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি; অথবা তৃতীয় পক্ষের ব্যক্তিগত গ্যারান্টি।

.০০ (এক) লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে ঋণের ক্ষেত্রে :

(ক) ঋণগ্রহীতার সম্পত্তির মূল দলিল/দলিলপত্র জমা রাখার জন্য ঋণগ্রহীতার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি;
অথবা তৃতীয় পক্ষের ব্যক্তিগত গ্যারান্টি ও গ্যারান্টারের সম্পত্তির মূল দলিল/দলিলপত্র জমা রাখার জন্য তার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি।

.০০ (পাঁচ) লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে ঋণের ক্ষেত্রে :

(ক) নির্দায়ী সনদপত্র ;

(খ) ঋণগ্রহীতার সম্পত্তির মূল দলিলপত্র এবং রেজিস্টার্ড বন্ধকি দলিল ;
অথবা তৃতীয় পক্ষের ব্যক্তিগত গ্যারান্টি ও গ্যারান্টারের সম্পত্তির মূল দলিলপত্র এবং রেজিস্টার্ড বন্ধকি দলিল।

(গ) অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তারনামা।

স্ট্যাম্প খরচ (ঋণগ্রহীতা বহন করবেন) :

বলবৎ স্ট্যাম্প এ্যাক্ট অনুযায়ী চার্জ ডকুমেন্টে নিম্নরূপ মূল্যমানের স্ট্যাম্প ব্যবহৃত হবে। তবে মূল্যমান পরিবর্তনযোগ্য।

(i) ডিপি নোট / ডবল পার্টি ডিপি নোট :

(ক) ২,০০০/- টাকা মূল্যমানের জন্য ১০/- টাকা ;
(খ) ২,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে ১০,০০০/- টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের জন্য ২০/- টাকা ;
(গ) ১০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বের মূল্যমানের জন্য ৫০/- টাকা।

(ii) ডিপি নোট ডেলিভারী লেটার : স্ট্যাম্পবিহীন ;

(iii) হাইপোথিকেশন ডিড : ৩০০/- টাকার Adhesive Stamp যুক্ত ;

(iv) মূল দলিল জমা রাখার স্মারকলিপি : ৩০০/- টাকার Adhesive Stamp যুক্ত;

(v) তৃতীয় পক্ষের গ্যারান্টি : ৩০০/- টাকার Adhesive Stamp যুক্ত ;

(vi) রেজিস্টার্ড বন্ধকি দলিল ও আমমোক্তারনামা : বলবৎ রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে।

সতর্কতা :

গ্রাহকগণকে নিম্নোক্ত বিষয় সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে :

(ক) ঋণের টাকা নগদে প্রদান করা হয় না। কেবল ঋণগ্রহীতার নামে Order চেক অথবা A/C Payee চেকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

ঋণের টাকা সার্ভিসিং ব্যাংক থেকে বুঝে নিতে হবে ;

(খ) চেকের পিছনে স্বাক্ষর দিয়ে চেক নিজে নগদায়ন করতে হবে। অন্যের কাছে চেক হস্তান্তর করা যাবে না ;

(গ) রশিদ ছাড়া কোনো প্রকার লেনদেন করা যাবে না ;

(ঘ) ঋণের জন্য সরাসরি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক/কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে হবে। কোনো তৃতীয় পক্ষ বা ব্যক্তির সাহায্য নেয়া যাবে না।


Share with :

Facebook Facebook